নির্বাচনের আর বাকি ২৪ দিন। এরমধ্যে একের পর এক অভিযোগে জেরবার বিএনপি প্রার্থীরা। এবার দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ উঠলো ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে। দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর পাসপোর্ট ব্যবহার করেন এম এ কাইয়ুম বলে অভিযোগ উঠেছে।
এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মালয়েশিয়াতে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে গ্রেফতার হন। তখন তার স্ত্রীর দাবি অনুযায়ী কাইয়ুম ‘সেকেন্ড হোম’ ক্যাটেগরিতে মালয়েশিয়ায় ছিলেন। কিন্তু তিনি দ্বৈত নাগরিকত্ব কিংবা সেকেন্ড হোম বিষয়ে কোনো তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেননি। যা নির্বাচনী আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী অন্য কোনো দেশের নাগরিক হলে কেউ সংসদ নির্বাচন করতে পারবেন না। সংবিধানের পঞ্চম ভাগের আইনসভার ১ম পরিচ্ছেদে এ কথা বলা আছে। এই আইন অনুযায়ী কোনো দ্বৈত নাগরিক নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য হবেন না। কেউ যদি নাগরিকত্ব প্রত্যাহারও করে তবুও সে নির্বাচন করতে অযোগ্য বিবেচিত হবেন সংবিধান মতে।এমন একটা সময়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলো যখন নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। এখন প্রার্থীদের হলফনামা যাচাই বাছাই করছে নির্বাচন কমিশন। বাংলাদেশের আইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ থাকলেও নির্বাচন করার সুযোগ নেই এমন সুবিধাভোগীদের। এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি নাস্তানাবুদ হচ্ছেন এই অভিযোগেই। ইতিমধ্যে বেশকিছু প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে এই অভিযোগে।
সেরা সুযোগ
